এই নতুন ডিভাইসটি বাজারে আনছে একটি জাপানি গ্যাজেট প্রস্তুতকারী সংস্থা। কোন জাদুটোনা নয়। দিব্যি একসেট হেডফোনের মতো দেখতে এই ডিভাইসটির ম্যাজিকটি রয়েছে তার ইনবিউল্ট ইনফ্রারেড সেন্সর প্রযুক্তির মধ্যে। ইনফ্রারেড সেন্সর আমাদের কানের কাছে পেশীর নড়নচড়ন মনিটর বা মাপজোঁক করে । বিভিন্ন ফেসিয়াল এপ্রেশন বা মুখের ভঙ্গিমার ফলে আমাদের কানের পাশের পেশীর মুভমেন্টও বদলে যায়। নড়াচড়ার এই স্বাতন্ত্র্যই আসলে মনিটর করে ইনফ্রারেড সেন্সর।এই ডিভাইসটিকে বলা হচ্ছে মিমি সুইচ, বা ইয়ার সুইচ। বৈশিষ্ট্যের বিচারে এটা একটা হ্যান্ড ফ্রি রিমোট কন্ট্রোল। এই হ্যান্ড ফ্রি রিমোট কন্ট্রোল টি একটি মাইক্রো কম্পিউটারের সাখে যুক্ত, যা প্রয়োজন মতো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলি নিয়ন্ত্রণ করে।ঘরের ওয়াশিং মেশিনটি চালানো বা বৈদ্যুতিক বাতিটি জ্বালানোর কাজটি করা যাবে মুখের একটি দ্রুত অভিব্যক্তি দিয়ে।
এর আবিষ্কর্তা, ওসাকা ইউনিভার্সিটির kazuhiro Tanighchi এরকমই বলেছেন।ইয়ার সুইচটি পড়ে, আইনস্টাইনের সেই বিখ্যাত ছবির মতো, জিভ মুখের বাইরে ঠেলে দিলেই আইপডটি বাজনা বাজাতে শুরু করবে, নয়তো বন্ধ করবে। আয়ত চোখে তাকালেই আইপড হয়তো স্কিপ করে নেঙ্ট টিউন প্লে করবে।মিমি সুইচ আরও কিছু ফেসিয়াল এপ্রেশনের সাথে প্রোগ্রাম করা। হাসি এবং নাসিকা কুঞ্চনও এর মধ্যে আছে। ডাটা স্টোর এবং সেটা ইন্টারপ্রিট করতেও পটু মিমি সুইচ। আসলে প্রতিদিনের জীবনের স্বাভাবিক ফেসিয়াল এপ্রেশন মনিটর করা আর ডাটা অ্যাকুমুলেট করাই এককথায় মিমি সুইচ বা ইয়ার সুইচের কাজ।যন্ত্রের সাথে অযান্ত্রিক সখ্যতার সূচনা হলো তাহলে!

This article has 0 comments
Post a Comment