তবে আর নয়। এবার গুগলও আইফোন, উইন্ডোজ মোবাইল, সিমবিয়ান, পাম ইত্যাদির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বাজারে আনলো তাদের নতুন মোবাইল ফোনের জন্য তৈরি অপারেটিং সিস্টেম, এন্ড্রয়েড।
এন্ড্রয়েড মূলত গুগল একা তৈরি করেনি। স্যামসাং, মটোরোলার মত ৩৩টি বিভিন্ন কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয় এন্ড্রয়েড। মূলত পরবর্তী প্রজন্মের জন্যই তৈরি করা হয়েছে এই এন্ড্রয়েড প্লাটফরমকে। নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমে সবচাইতে বড় যে পরিবর্তনটি আসছে, সেটা হচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা। গুগলের মতে, গুগলের নতুন এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে ব্যবহারকারী কম্পিউটারের চেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে। যা সত্যিই একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। এন্ড্রয়েডে যুক্ত করা হয়েছে একটি অনন্য ও আগের চেয়ে শক্তিশালি ওয়েব ব্রাউজার যা ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের মতই ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ দেবে বলে গুগলের প্রত্যাশা। এছাড়াও নতুন এই ফোনে থাকছে এক ক্লিকের মাধ্যমেই সার্চ করার এক অনন্য সুবিধা। তবে নতুন এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করার জন্য এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন ফোন ক্রয় করতে হবে ব্যবহারকারীদের।
আইফোন ও এজাতীয় জনপ্রিয় মোবাইলের জগতে এন্ড্রয়েড কতটা সফল হবে এরকম একটি প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম থেকে এন্ড্রয়েডের মূল পার্থক্য হচ্ছে এন্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। যে কেউ এর জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপ করতে পারবেন। এন্ড্রয়েড মূলত লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ভিত্তিক একটি মোবাইল ফোন অপারেটিং সিস্টেম। লিনাক্সের মতই এটিও একটি উন্মুক্ত সোর্স প্রোডাক্ট বলে অন্য যেকোন মোবাইলের চেয়ে এটি বেশি জনপ্রিয় হবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
ইন্টারনেট ও কম্পিউটারের জগত দখলের পর মোবাইল জগতে গুগলের পদার্পণকে অনেকেই অনেকভাবে দেখছেন। তবে মোবাইল দুনিয়ায় কতটা পরিবর্তন আনতে পারবে গুগল ও তাদের এন্ড্রয়েড, সেটা সময়ই বলে দেবে।

This article has 0 comments
Post a Comment